শনিবার থেকে কর্মস্থলে ফিরছেন প্রাইভেট ট্রেইনি চিকিৎসকরা

পোস্ট গ্রাজুয়েট প্রাইভেট ট্রেইনি অ্যাসোসিয়েশন থেকে বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর ক্র্যাব (ক্রাইম রিপোর্টারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে সংগঠনের নেতারা এ কথা বলেন।

সংগঠনের সভাপতি ডা. জাবির হোসেন বলেন, আমাদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৭ জুলাই ভাতার পরিমাণ ২০ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা বাড়ানোর আশ্বাস দেওয়া হয়। তাছাড়া প্রতিমাসে ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা, কর্মদিবস কমিয়ে কর্মঘণ্টা ঠিক রেখে প্রাইভেট প্র্যাকটিসের সুযোগ দেওয়া, আন্দোলনের কারণে কোনো শিক্ষার্থীর ওপর অ্যাকাডেমিক হয়রানি না করার আশ্বাসও দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, সেসব আশ্বাসের ভিত্তিতে এবং ডেঙ্গু পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কিন্তু গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো যদি বাস্তবায়িত করা না হয়, তাহলে ফের আমরা কঠোর কর্মসূচিতে যাব। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নুরুন নবী বলেন, আগামী শনিবার প্রশাসন বরাবর স্মারকলিপি জমা দেয়া হবে।

তিনি জানান, গত ১৬ জুলাই আমরা শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচির পরে ১৭ই জুলাই বিএমএ প্রেসিডেন্ট ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, বিএসএমএমইউ ভিসি ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ, স্বাচিপের সভাপতি ডা. জামাল উদ্দিন, মহাসচিব কামরুল হাসান মিলন এবং ডিজিএমই ডা. টিটু মিয়ার সাথে আমাদের প্রতিনিধি দলের মিটিং হয় এবং এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি।

তিনি জানান, আমাদের ৭৫০০-৮০০০ ট্রেইনি চিকিৎসকেরা শুধুমাত্র তাদের এই কথার উপর ভরসা করে আমাদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে নিয়েছি।

এ আন্দোলনের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে তিনি বলেন, আমরা প্রত্যেকে সপ্তাহে ৬০-৭০ঘন্টা ডিউটির পরেও যখন সংসার চালানোর মতো হাতে টাকা থাকে না, দিন শেষে অসহায়ের মতো টাকা ধারের জন্যে এদিক ওদিক ছুটতে থাকি। সেই অবস্থাটুকো আসলে আমাদের প্রকাশের ভাষা কারোরই জানা নেই। হয়তো আমাদের প্রকাশের অপারগতার কারণেই আজকের আমাদের এই ব্যর্থতা।

এতে অন্যান্যের মধ্যে সংগঠনটির সহ-সভাপতি ডা. ইমরান সিকদার, ডা. ফরহাদ তুহিন ও কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. পারসা উপস্থিত ছিলেন।