
শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজ বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ জেলায় অবস্থিত চিকিৎসা বিষয়ক উচ্চ শিক্ষা দানকারী একটি প্রতিষ্ঠান। সরাসরি সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানটি ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়; যা বর্তমানে দেশের একটি অন্যতম প্রধান চিকিৎসাবিজ্ঞান বিষয়ক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানে ১ বছর মেয়াদী হাতে-কলমে শিখনসহ স্নাতক পর্যায়ের ৫ বছর মেয়াদি এম.বি.বি.এস. শিক্ষাক্রম চালু রয়েছে; যাতে প্রতিবছর ৬৫ জন শিক্ষার্থীকে ভর্তি করা হয়ে থাকে। এটি গোপালগঞ্জ ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের পূর্ব দিকে অবস্থিত। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা সরকার দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এলে তার সরকার বঙ্গবন্ধুর মাতা শেখ সাহেরা খাতুনের নামে উক্ত সরকারি মেডিকেল কলেজটি স্থাপন করে। মেডিকেল কলেজটিতে দেশি-বিদেশি মেডিকেল স্টুডেন্টরা পড়াশোনা করে থাকে।
শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মা এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দাদী শেখ সায়েরা খাতুন এর নামে কলেজের নামকরণ করা হয়েছে। শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজটি বাংলাদেশের ঢাকা বিভাগের গোপালগঞ্জ জেলার সদর উপজেলায় ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের পাশে অবস্থিত।
২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। এই প্রকল্পের বাজেট ছিল ৫০০ কোটি টাকা। প্রাথমিকভাবে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের বাসভবনে কলেজের অস্থায়ী কার্যালয় স্থাপন করেছিল। সেই কার্যালয় থেকেই প্রথমবার ভর্তি কার্যক্রম শুরু করেছিল। ২০১১-২০১২ শিক্ষাবর্ষে কলেজটি প্রথমবারে ৫১ জন শিক্ষার্থী নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করেছিল।
সবুজ পত্র সবুজের সমারোহে বাংলাদেশ