স্ত্রী হরমোনের ভারসাম্য

নারী ও পুরুষের দেহে হরমোনের মাত্রা কিছু ক্ষেত্রে ভিন্ন। শুধু শরীর নয়, স্ত্রী হরমোনের ভারসাম্য বিগড়ে গেলে ভালো থাকে না মনও। সমস্যা খুব বেড়ে গেলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া ছাড়া উপায় নেই। অল্প থাকলে, স্ত্রী হরমোনের ভারসাম্যের সমস্যায় নিয়ম করে খাওয়া, আর জীবনযাপনে পরিবর্তনে মিলতে পারে উপকার।

কী কী খাওয়া যেতে পারে তা হলো:
১। অল্প পরিমাণ স্নেহ পদার্থ থাকুক খাদ্যতালিকার শুরুতেই। সকালের খাবারের সঙ্গে নিয়মিত খেতে পারেন ঘি, নারকেল তেল কিংবা অর্গানিক বাটার। বিশেষ করে যারা সকালে ফল খেতে পারেন না, তাদের ক্ষেত্রে এই টোটকা কমাতে পারে হরমোনের ভারসাম্য বিগড়ে যাওয়ার সমস্যা।

আরও পড়ুন: ছেলেদের খুশকি দূর করার ঘরোয়া ৬ উপাদান

২। ঋতুচক্রের প্রথমার্ধে নারীদেহে ইস্ট্রোজেন ও দ্বিতীয়ার্ধে প্রজেস্টেরনের ক্ষরণ বাড়ে। ঋতুচক্রের প্রথমার্ধে তিসি ও কুমড়োর বীজ এবং দ্বিতীয়র্ধে খেতে পারেন সূর্যমুখী বীজ ও তিল। এতে দুই হরমোনই নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৩। পেট ভালো না থাকলে পুষ্টির সমস্যা হতে পারে। আর পুষ্টির সমস্যা থাকলে যেটাই খান না কেন, শরীরের উন্নতি হওয়ার আশা কম। পেট ভালো না থাকলে তার প্রভাব পড়ে হরমোনের ভারসাম্যের ওপরেও। কাজেই তেল-মসলার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার দিকে নজর দেয়াই বাঞ্ছনীয়।

আরও পড়ুন: যেভাবে খাবার খেলে বার্ধক্য আর ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে

৪। অনেকেই এখন শরীর ভালো রাখতে বিভিন্ন ধরনের সাপ্লিমেন্ট খান। বিশেষ করে হরমোনের সমস্যায় ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট খাওয়ার চল এখন অনেকটাই বেড়েছে। এ ধরনের সাপ্লিমেন্ট খেলে ইপিএ ও ডিএইচএ-এর মতো উপাদানগুলোর মাত্রা কতটা হওয়া উচিত, তা জেনে নিতে হবে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে।

৫। মনের অবস্থার সঙ্গে জড়িত হরমোন। দীর্ঘস্থায়ী মানসিক অবসাদ যৌন হরমোনের ভারসাম্য বিগড়ে দেয়। অনেক সময় মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি হলে দেখা দেয় ঘুমের সমস্যা। এতে শুধু স্ত্রী হরমোন নয়, দেখা দিতে পারে অন্যান্য হরমোনের সমস্যাও। তাই মনের দিকেও নজর রাখা খুব জরুরি।

সূত্র: আনন্দবাজার