ডেঙ্গু হলে বেশিরভাগ মানুষই মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েন। এটি কাজে ফিরে আসার জন্য খুবই ক্ষতিকর। এসময় মানুষের শুধু বিশ্রাম নয়, প্রয়োজন প্রশান্তি। আর যারা অনেকদিন ডেঙ্গু হয়ে বিছানায় পড়ে থাকেন তাদের মধ্যে অনেক ক্ষেত্রে আতংক বিরাজ করে। এসব কিছুই কাটিয়ে উঠতে মানসিক প্রশান্তিটা খুবই জরুরি।

ইয়োগাবিদদের দাবি ইয়োগা করলে প্রচুর মানসিক প্রশান্তি পাওয়া যায়। রাজধানীসহ প্রায় দেশের সব জায়গায়তেই ইয়োগা সেন্টার রয়েছে। তবে যারা আন্তর্জাতিক ট্রেইনার তাদের কছেই ইয়োগা শিখা উত্তম বলে তারা জানান।
ইয়োগাম্রিতা ইয়োগা ইন্সিটিউটের স্বত্তাধিকারী হাবিবা হাসান শিখা জানান, ইয়োগা করলে মানসিক প্রশান্তির জন্য ব্রিদিং ইয়োগা বা প্রাণায়ামা ইয়োগা করা ভালো। এ সময় ভারি বা বেশি ক্যালোরি ক্ষয় হয় এমন ইয়োগা প্রযোজ্য নয়। এ সময় বেশি বেশি রিলিফের প্রয়োজন দরকার।
তিনি বলেন, ডেঙ্গুতে মানুষের এমনিতেই অনেক ধকল যায় মনের মধ্যে। অনেকে বেশি আতংকিত হয়ে থাকে। এদের সবার জন্য প্রশান্তির প্রয়োজন হয়।
আন্তর্জাতিক সার্টিফাইড ট্রেইনার আনিসুর রহমান জানান, রোগীর তীব্রতার উপর নির্ভর করে রোগীকে ইয়োগা করতে হবে। কার কতটুকু তীব্রতা ছিল সেটা জানারও দরকার একজন ট্রেইনারের।
তিনি বলেন, আমার মত আন্তর্জাতিক সার্টিফাইড ট্রেইনাররা অবশ্যই দেখবে শরীরের অবস্থা কেমন। অবস্থা বুঝে ভারি ইয়োগাও করতে পারবে রোগীরা।
দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চলতি বছর এ রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৭৩। শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ২ হাজার ৪৬ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা দাঁড়াল ৮০ হাজার ৭৪।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে আর ৩ জনের ঢাকার বাইরে।
ডেঙ্গু নিয়ে শেষ ২৪ ঘণ্টায় ৮৫৩ জন ঢাকার বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন। ঢাকার বাইরে ভর্তি আছেন ১ হাজার ১৯৩ জন। চলতি বছর সারা দেশে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ৮০ হাজার ৭৪ জনের মধ্যে ঢাকায় ৪০ হাজার ৭৬৪ জন ও ঢাকার বাইরে ৩৯ হাজার ৩১০ জন ভর্তি হন।
সবুজ পত্র সবুজের সমারোহে বাংলাদেশ