
শফিক আহমেদ হলেন বাংলাদেশী আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ। তিনি ২০০৯ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের টেকনোক্রেট মন্ত্রী ছিলেন। শফিক আহমেদ ১৯৩৭ সালের ১৬ জুলাই কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের নারায়নপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। শশীদল হাই স্কুল থেকে শিক্ষা লাভের পর তিনি কুমিল্লা জিলা স্কুল থেকে ১৯৫৩ সালে মাধ্যমিক পাশ করেন। এর পর ঢাকা কলেজ থেকে ১৯৫৫ সালে ইন্টারমিডিয়েটে পাশ করেন। এর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হলেও ১৯৫৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভুগোলে বিএ অনার্স এবং ১৯৫৯ সালে মাস্টার্স ডিগ্রী নেন। ১৯৬৩ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি পাশ করেন। ১৯৬৪ সালে লন্ডনের কিংস কলেজে ভর্তি হয়ে ১৯৬৭ সালে লন্ডনের কিংস কলেজ থেকে বার-এট-ল ডিগ্রী নেন। শফিক ২০০৯ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের টেকনোক্রেট মন্ত্রী ছিলেন।
শফিক আহমেদ স্থায়ীভাবে বসবাস করেন ইন্দিরা রোডে। তার স্ত্রী একাডেমিক ও অ্যাক্টিভিস্ট মাহফুজা খানম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম এবং একমাত্র নারী ভিপি (১৯৬৬-১৯৬৭ সাল) ছিলেন। তাদের দুই ছেলে, এক মেয়ে। বড় ছেলে চিকিৎসক হলেও এখন ব্যবসা করছেন। মেয়েও চিকিৎসক। ছোট ছেলে মাহবুব শফিক আইনজীবী।
শফিক ১৯৬৯ থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের খণ্ডকালীন শিক্ষকতা করেন। তিনি ১৯৭৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত সিটি ল কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন, এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য এবং পরীক্ষকও ছিলেন। ১৯৬৭ সালে হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন এবং ১৯৮৯ সালে আপীল বিভাগের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী হিসেবে নথিভুক্ত হন। শফিক ১৯৯৯ – ২০০০ এবং ২০০৮ – ২০০৯ সালে সুপ্রিম কোট বার অ্যাসোসিয়েশনে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। এছাড়াও তিনি বার কাউন্সিলের সহ-সভাপতি ছিলেন। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে শেখ হাসিনার পক্ষে মামলা পরিচালনা করতেন তিনি।
সবুজ পত্র সবুজের সমারোহে বাংলাদেশ