
হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী
১৯৭১ সালে হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন এবং দিল্লিতে বাংলাদেশ মিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতি স্বীকৃতি আদায়ের জন্য তিনি বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা করেন। এর আগে তিনি রোম, বাগদাদ, প্যারিস, লিসবন ও জাকার্তায় কুটনীতিকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি জার্মানিতে (১৯৭২-১৯৭৬), সৌদি আরবে এবং যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মন্ত্রিসভায় পররাষ্ট্র মন্ত্রী (১৯৮৫-৮৬) ছিলেন। তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪১-তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ এবং ১৯৮৮ সালে তিনি পর পর জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে পুনরায় তিনি জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন এবং জাতীয় সংসদের স্পীকার নির্বাচিত হন।
বিশ্ব শান্তির ক্ষেত্রে তাঁর অবদানের জন্য ভার্জিনিয়ায় অবস্থিত অ্যামেরিকান ইউনিভার্সিটি অব উইলিয়ম অ্যান্ড মেরী ১৯৮৪ সালে হুমায়ুন রশিদ চৌধুরীকে ‘মহাত্মা গান্ধী শান্তি পুরস্কার’ প্রদান করে। তিনি লন্ডনে ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ-এর সদস্য ছিলেন। ২০০১ সালের ১০ জুলাই তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।
সবুজ পত্র সবুজের সমারোহে বাংলাদেশ