রমজান উপলক্ষে এই মিষ্টান্ন তৈরি করেছে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল কর্তৃপক্ষ। আর এটি ২৪ ক্যারেটের সোনা দিয়ে মোড়ানো থাকবে। সে জন্যই এতো দাম। ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল ফেসবুক পেইজ/ বাংলাদেশ প্রতিদিন

সাধারণ গ্রাহকদের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে বুধবার থেকে বিক্রি শুরু হয়েছে এই জিলাপি। প্রতি কেজি জিলাপিতে ২৪ ক্যারেটের খাবার উপযোগী সোনার ২০ থেকে ২২টি লিফ বা পাতলা পাত দিয়ে আবৃত করা। একজন গ্রাহক ন্যূনতম ২৫০ গ্রাম জিলাপি কিনতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে দাম পড়বে পাঁচ হাজার টাকা।
এর আগে গত মঙ্গলবার সোনার জিলাপি বিক্রি নিয়ে নিজেদের ফেসবুক পেজে একটি কার্ড শেয়ার করে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল। এরপর থেকে সাড়াও মিলছে আশাতীতভাবে বলে জানিয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষ।
তারা জানায়, ইতিমধ্যে ৫-৬টি গ্রাহকের অর্ডার সরবরাহ করা হয়েছে। আরও কিছু অর্ডার রয়েছে। রমজান মাসজুড়ে প্রতিদিন ইফতার ও সাহ্রির আয়োজন করে থাকে ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা। মেনুতে ইফতারিতে ডেজার্ট হিসেবে ঐতিহ্যবাহী জাফরান জিলাপি পরিবেশন করে ঢাকার বিখ্যাত এই হোটেল।
ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকার ফেসবুক পেজের তথ্যানুসারে দেখা যায়, রমজানে ভোক্তাদের ভিন্ন রুচির কথা ভেবেই ব্যাতিক্রমি আয়োজন করে কর্তৃপক্ষ।
হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকার মহাব্যবস্থাপক অশ্বিনী নায়ার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, খাদ্য ও পানীয় এখন আর শুধু খাওয়ার বিষয় নয়। মানুষ এখন আর শুধু নামেই বিলাসিতা পেতে চায় না। তারা বিলাসী পণ্যের অনন্য স্বাদ ও অভিজ্ঞতা উপভোগ করতে চায়। ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল এ ধরনের অভিজ্ঞতা দেওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশি গ্রাহকদের সেই বিলাসিতা উপভোগের সুযোগ দিতে চায়। সে জন্যই বিশেষ এ জিলাপি বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
ব্যবহারযোগ্য সোনা ছাড়াও এক বিশেষ ধরনের সোনা আছে, যা খাওয়া যায়। আর সেটিই ব্যবহার করা হয়েছে এই জিলাপির রেসিপিতে। খাদ্য উপযোগী এসব সোনা দুবাইসহ বিশ্বের ধনী ও অন্যান্য সোনাসমৃদ্ধ শহরগুলোয় ব্যাপক জনপ্রিয়। দামি এই ধাতুটি পুষ্টিগুণসমৃদ্ধও বটে।
সবুজ পত্র সবুজের সমারোহে বাংলাদেশ