
এদের পেছনে ৩ লাখ ইসরায়েলি সেনা অপেক্ষা করছে। ইতিমধ্যে হাজার হাজার বোমা ফেলা হয়েছে গাজায়। ইসরায়েল ঘোষণা করেছে গাজা থেকে যারা অন্যত্র চলে যাবে তারা পুনরায় আর তাদের ঘরবাড়িতে ফিরে আসতে পারবে না। ডেইলি মেইল
ইসরায়েলের এধরনের যুদ্ধংদেহী আচরণ গাজার সাধারণ মানুষ ছাড়াও দুশ্চিন্তায় ফেলেছে ত্রাণ কর্মীদের। জাতিসংঘ জানিয়ে দিয়েছে মাত্র ২৪ ঘন্টার মধ্যে ইসরায়েল থেকে ১১ লাখ মানুষের অন্যত্র সরে যাওয়া অসম্ভব। মিডিয়ায় প্রকাশিত বিভিন্ন ছবিতে দেখা যাচ্ছে অসহায় গাজাবাসীরা কোনোরকম শেষ সম্বল নিজেদের শিশু সন্তান, হাতে মাত্র একটি ব্যাগে পরণের কাপড় নিয়ে অজানা গন্তব্যে ছুটছে।
ইসরায়েল গাজায় হামলার জন্যে অভিজাত সায়েরেত মাতকাল ইউনিট থেকে তার বিশেষ বাহিনী নিয়ে আসছে। তাদের লক্ষ্য গাজা থেকে হামাসের হাতে আটক উচ্চপদস্থ যোদ্ধাদের বের করে আনা এবং জিম্মি করা শত শত ইসরায়েলিকে উদ্ধার করা।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী বলেছে যে তারা ফিলিস্তিনে হামাসের শাসন ক্ষমতাকে সম্পূর্ণরূপে কেড়ে নিতে চায়। ইসরায়েলি বিমান হামলা এখন পর্যন্ত ফিলিস্তিনি ছিটমহলের উত্তর-পূর্ব কোণে বেইত হ্যানউন শহরের বেশিরভাগ এলাকা জুড়ে চলছে। হামাস ওই এলাকা থেকে ইসরায়েলে আক্রমণ শুরু করেছিল।
সবুজ পত্র সবুজের সমারোহে বাংলাদেশ